খবর

    নন্দর গোলে চেন্নাইন এফসি-কে হারিয়ে ফের ছ’নম্বরের দৌড়ে উজ্জ্বল ইস্টবেঙ্গল

    ছ’নম্বর জামশেদপুর এফসি-র চেয়ে মাত্র দু’পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। সাত নম্বর নর্থইস্টের সঙ্গে মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান তাদের। অর্থাৎ, এই জয়ের ফলে ছ’নম্বরে পৌঁছনোর দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল লাল-হলুদ বাহিনী।

    চেনান্নাইনও আমাদের মতো তিন পয়েন্টের জন্য ঝাঁপাবে, মত ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের 

    “আমরা দুই দলই তিন পয়েন্টের জন্য লড়াই করব। কারণ, আমাদের মতো ওরাও প্লে অফে যোগ্যতা অর্জন করতে চায়। ওদের কোচ ওয়েন কোইলের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। ওরাও একটা প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ করছে এবং ক্রমশ উন্নতি করছে”।

    সেরা ছয়ের দৌড়ে টিকে থাকার লড়াই ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইন এফসি-র

    বাকিদের পিছনে ফেলে ছ’নম্বরে পৌঁছে যাওয়ার একটাই রাস্তা, পরের ম্যাচগুলিতে একটিও পয়েন্ট না খোয়ানো। সোমবার ঘরের মাঠে চেন্নাইনের বিরুদ্ধে সেই লক্ষ্য নিয়েই নামবে লাল-হলুদ বাহিনী।

    কলিঙ্গবাহিনীর বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ে হতাশ নন মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও হাবাস

    “দলের প্রত্যেকেরই পারফরম্যান্স ও দায়বদ্ধতা দেখে আমি খুশি। কোনও ম্যাচে যদি জিততে না পারা যায়, সেক্ষেত্রে হারার চেয়ে ড্র করা ভাল”।

    মোহনবাগানের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র, লিগ শীর্ষেই রইল ওডিশা এফসি

    শনিবার জিতলে যারা এই দুই দলকে টপকে শীর্ষে পৌঁছতে পারত, সেই মোহনবাগান রয়ে গেল তিন নম্বরে, ১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট অর্জন করে। ১৪ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে এফসি গোয়া আছে চারে। অর্থাৎ, সবুজ-মেরুন বাহিনীর ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলা শুরু করল গোয়ার দল।

    অপ্রতিরোধ্য ওডিশাকে হারিয়ে শীর্ষে পৌঁছনোর চ্যালেঞ্জ মোহনবাগান এসজি-র সামনে

    টানা এগারোটি ম্যাচে অপরাজিত ওডিশা এফসি। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচে তারা ড্র করেছে ঠিকই। কিন্তু হার মানেননি রয় কৃষ্ণা, দিয়েগো মরিসিও, আহমেদ জাহু, মুর্তাদা ফলরা। যে তিনটি ম্যাচে তারা ড্র করে, তাদের মধ্যে একটি ম্যাচ ছিল এই মোহনবাগানেরই বিরুদ্ধে।

    দুই-তিন নয়, এক নম্বর জায়গাটাই আমাদের লক্ষ্য, বলছেন মোহনবাগান কোচ হাবাস 

    “গত ম্যাচে প্রতিপক্ষের দু গোলের জবাবে আমরা চার গোল দিয়েছি। যদি ওদের দুগোলের জবাবে আমাদের ছেলেরা কোনও গোল দিতে না পারত, তা হলে আমার উদ্বেগের কারণ ছিল”।

    এখনও সেরা ছয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন লাল-হলুদ কোচ কুয়াদ্রাত

    “আমাদের ছেলেরা আজ যথেষ্ট ভাল ফুটবল খেলেছে। কিন্তু অনেক গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে। আমরা ম্যাচের পরিকল্পনা অনুযায়ীই খেলছিলাম। দলের জন্য ছেলেরা সব কিছুই করেছে। তাই ওদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি”।

    এগিয়ে থেকেও হার ইস্টবেঙ্গল এফসি-র, ফের ছয়ে জামশেদপুর

    এই হারের ফলে ইস্টবেঙ্গল আট নম্বরেই রয়ে গেল। সাত নম্বরে থাকা নর্থইস্টের চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। আর ছ’নম্বর জামশেদপুর এফসি তাদের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে। তাও ইস্টবেঙ্গলের সেরা ছয়ে প্রবেশ করার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

    জামশেদপুরকে হারিয়ে সেরা ছয়ের দরজায় পৌঁছনোর সুযোগ ইস্টবেঙ্গলের সামনে

    বৃহস্পতিবার জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে জামশেদপুরকে টপকে সেরা ছয়ের দরজায় পৌঁছে যাবে ইস্টবেঙ্গল। অর্থাৎ, সাত নম্বরে পৌঁছতে গেলে ইস্পাতনগরীতে তাদের জিততেই হবে।

    এখন প্রতি ম্যাচই ফাইনাল, পয়েন্ট খোয়ানো যাবে না, সতর্কবার্তা কার্লস কুয়াদ্রাতের

    “আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল কখনও পরপর দুটো ম্যাচে জেতেনি। তাই এটা আমাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমাদের খেলোয়াড়দের ফোকাস বজায় রয়েছে। ওরা ম্যাচটা জিততে চায়। আমরা কাল তিন পয়েন্টের জন্য লড়াই করব”।

    কলকাতা ফুটবল লিগেই উঠতি ফুটবলারদের আসল পরীক্ষা হয়, উপলব্ধি রাহুল ভেকের

    “কলকাতা লিগে টিকে থাকতে পারা, এই লিগে ভাল কিছু করে দেখাতে পারা খুবই কঠিন কাজ”, সম্প্রতি আইএসএলের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ‘ইন দ্য স্ট্যান্ডস’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাহুল ভেকে।

    এ বার লক্ষ্য জামশেদপুর জয়, জানিয়ে দিলেন কার্লস কুয়াদ্রাত

    “আমাদের ক্লেটন সিলভা ও ফেলিসিও ব্রাউন ভাল ভাল সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, সেগুলো থেকে গোল পাইনি। হয়তো ওরা পরের ম্যাচের জন্য গোল বাঁচিয়ে রেখেছে”।