হিরো আইএসএলের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে উত্তেজনার পারদ উঠতে পারে চরমে

রাত পোহালেই ফুটবলের মহাযুদ্ধ। যে ম্যাচ নিয়ে চর্চা এখন সারা দেশে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সারা দুনিয়াতেও। বঙ্গ ফুটবলমহলে উঠেছে ঝড়। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার ২৬ বছর আগে বাংলার ফুটবলে যে প্রতিদ্বন্দিতা শুরু হয়েছিল, স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরেও ঘটি-বাঙালের সেই ফুটবল-শত্রুতা এতটুকুও কমেনি। বরং আরও বেড়েছে। সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদ বাহিনীর একই মাঠে নামা মানে লড়াইটা শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ নয়, মাঠ ছাড়িয়ে চলে যায় পাড়ায়-পাড়ায়, রাস্তায়-রাস্তায়, ঘরে-ঘরে, এমনকী রান্নাঘরেও। 

শতবর্ষে কলকাতা ডার্বি

ফুটবলের সেই চিরকালীন শত্রুতা এ বছর ৮ অগাস্ট একশো বছরে পা দিয়েছে। কলকাতা ডার্বির এই শততম বর্ষেই দেশের সেরা ও আধুনিকতম ফুটবল লিগ হিরো আইএসএলে পা রেখে দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবই বুঝিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবলের বিশ্বায়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার মহাযজ্ঞে সামিল তারাও। যে লিগের প্রতি ম্যাচের টাটকা অ্যাকশন সারা বিশ্বের ৮২টি দেশ ও অঞ্চলের ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি দেখতে পাবেন টিভি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, সেই লিগে বাংলার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দী ক্লাবের মুখোমুখি হওয়া মানে সারা বিশ্বে ফুটবল-উৎসব। বাংলার মানুষ থাকেন না, এমন দেশ খুব কমই আছেন আর প্রতিটি বাঙালির হৃদয়েই হয় লাল-হলুদ, নয় সবুজ-মেরুন জার্সির বসবাস চিরকাল। তাই শুধু ভারত নয়, শুক্রবার সারা বিশ্ব মাতবে ফুটবলের এই মহাযুদ্ধ নিয়ে। 

নামে সামান্য পরিবর্তন এলেও এটিকে মোহনবাগান এবং এসসি ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে কোটি কোটি সমর্থকদের আবেগ ছিটোফোঁটাও কমেনি। ৯৯ বছর ধরে যে আবেগ বহন করে আসছে দুই ক্লাব, আরও একবার সেই আবেগের বিস্ফোরণ ঘটতে চলেছে শুক্রবার সন্ধ্যায়, যখন সারা বাংলা ভাগ হয়ে যাবে দুই ভাগে। সারা দেশের বাঙালিদের মধ্যে শুরু হবে তর্ক-বিতর্ক। ৯০ মিনিটের মহাযুদ্ধের পরে কারা হাসিমুখে ভাস্কোর তিলক ময়দান স্টেডিয়াম ছাড়বেন, এখন সেই নিয়েই চলছে জমজমাট জল্পনা। ফুটবল বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে ফুটবলপ্রেমীরা শুরু করে দিয়েছেন আগাম বিশ্লেষণ, কারা এগিয়ে এবং কারা পিছিয়ে, কোন দল কোন দিক দিয়ে শক্তিশালী, কারা কোথায় দুর্বল।

১৯২১-এর ৮ অগাস্টের পর থেকে গত ৯৯ বছরে মোট কতবার দুই ক্লাব ফুটবল মাঠে মুখোমুখি হয়েছে, তার সরকারি বা সঠিকতম পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন। বহু গবেষণার পরে বেশির ভাগ গবেষকই একটা ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, কলকাতা ডার্বির সংখ্যা প্রায় ৩৭০।  এ সংখ্যা থামার নয়, বদলাতেই থাকবে, বাড়তে থাকবে। হয়তো আরও একশো বছর পরেও ফুটবলের এই চিরপ্রতিদ্বন্দিতা অমর হয়ে থাকবে। তাই পরিসংখ্যানের এই জটে না জড়িয়ে বরং সামনের দিকে তাকানো যাক। শুক্রবারের ম্যাচে কে কোথায় দাঁড়িয়ে?

গত শুক্রবার এটিকে মোহনবাগান যে ভাবে জয় দিয়ে তাদের হিরো আইএসএল অভিযান শুরু করেছে, এসসি ইস্টবেঙ্গলও একই ভাবে তাদের অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারবে কি না, এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। এটিকে মোহনবাগানের কাছে যেমন ব্যাপারটা মোটেই সোজা হয়নি, তেমনই ইস্টবেঙ্গলের কাছেও একেবারেই সোজা হবে না।

পরীক্ষিত, আত্মবিশ্বাসী সবুজ-মেরুন শিবির

গতবারের লিগ চ্যাম্পিয়ন এটিকে এফসি দলের বেশির ভাগ ফুটবলারকেই এ বার তাঁর নতুন দলে রেখে দিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ফলে একটা তৈরি কম্বিনেশন হাতে পেয়ে গিয়েছেন তিনি। সন্দেশ ঝিঙ্গন, তিরি, শুভাশিস বসু, ব্র্যাডেন ইনমান, গ্ল্যান মার্টিন্স, শেখ সাহিল, মনবীর সিং-এর মতো নতুন কয়েকজন দলে এলেও তাঁরা সতীর্থদের সঙ্গে অনেকটাই মানিয়ে নিতে পেরেছেন বলেই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম ম্যাচে মনে হয়েছে। কেরলের দলকে ১-০-য় হারালেও আরও বেশি ব্যবধানে হারাতে পারতেন প্রীতমরা, যদি না রয় কৃষ্ণা আরও দুটি সহজ গোলের সুযোগ হাতছাড়া করতেন।

তিনটি দেশে কোয়ারান্টাইনে কাটানোর পরে মাঠে ফেরা ফিজিয়ান স্ট্রাইকার রয় ম্যাচের শুরুর দিকে জড়তা কাটিয়ে উঠতে না পারলেও পরের দিকে ক্রমশ ছন্দে ও গোলে ফিরে আসেন। তিনি ছন্দে ফিরলেও তাঁর সতীর্থদের কিন্তু ফর্মে দেখা যায়নি সে ভাবে। রয়ের স্ট্রাইকার সঙ্গী ডেভিড উইলিয়ামস সেই সুযোগই পেয়েছেন ম্যাচের শেষ দিকে মিনিট দশেকের জন্য, যখন তিনি রয়ের পরিবর্ত হিসেবে নামেন।

মাঝমাঠে প্রবীর দাস, কার্ল ম্যাকহিউ, হাভিয়ে হার্নান্ডেজ, প্রণয় হালদারদের পারফরম্যান্স মনে ছাপ ফেলতে পারেনি। বল পজেশনের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্স একাধিক সুযোগ নষ্ট করায় এটিকে মোহনবাগান কার্যত সে যাত্রা বেঁচে যায়। সাহাল আব্দুল সামাদ, ঋত্বিক দাসরা সে দিন সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে কলকাতার দল চাপে পড়ে যেত হয়তো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঝমাঠের সঙ্গে রক্ষণের তেমন বোঝাপড়া এখনও তৈরি হয়নি এটিকে মোহনবাগানে। বরং মাঝমাঠের সঙ্গে আক্রমণ বিভাগের ভাল বোঝাপড়া দেখা যায় সে দিন। সঙ্গী স্ট্রাইকার এডু গার্সিয়া তেমন সচল না থাকলেও একা রয় কৃষ্ণাই নড়িয়ে দিয়েছিলেন বিপক্ষের তথাকথিত শক্তিশালী ডিফেন্সের ভিত।

 খাতায় কলমে হাবাসের দলের রিজার্ভ বেঞ্চও বেশ শক্তিশালী, যেখানে প্রথম ম্যাচে বসেছিলেন সুমিত রাঠি, ইনমান, মার্টিন্স, জয়েশ রানেদের মতো প্রথম দলে থাকার মতো খেলোয়াড়রা। ডার্বির জন্য আস্তিনের তাস বার করবেন কি না হাবাস, সেটাই দেখার। তবে উইনিং কম্বিনেশন ভেঙে এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন ম্যাচে দল নামাবেন কি না, সেটাই দেখার।

এমনিতেই মাইকেল সুসাইরাজের বিকল্প খুঁজে বার করতেই হবে তাঁকে। প্রথম ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের মিডফিল্ডার কে প্রশান্তের সঙ্গে সঙ্ঘর্ষের জেরে সুসাইরাজ হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়ে কার্যত পুরো লিগ থেকেই ছিটকে গিয়েছেন তিনি। তাঁর এসিএল গ্রেড থ্রি ইনজুরি হয়েছে বলে ক্লাব সূত্রের খবর। সাধারণত, এই ধরনের চোট সারিয়ে ছ’মাসের আগে মাঠে ফেরা যায় না। তাই হয়তো তাঁকে দলে না রেখেই এগোতে হবে হাবাসকে। কিন্তু গত মরশুমে দুই দিক দিয়ে প্রবীর ও সুসাইরাজকে উইং ব্যাক হিসেবে খেলিয়ে যে চমকটা দিয়েছিলেন স্প্যানিশ কোচ, তা তামিল ফুটবলারটির চোটের পরে এ বার আর আর থাকবে কি না, সেই প্রশ্নই উঠতে শুরু করে দিয়েছে।

গত ম্যাচে প্রবীরকে নিষ্ক্রীয় লেগেছে। উইং ব্যাকের ভূমিকায় তাঁকে না দেখতে পেয়ে হতাশ হয়েছেন সমর্থকেরা। এমনও হতে পারে, ডার্বির আগে নিজেদের পূর্ণ শক্তি দেখাতে চাননি হাবাস। সেই জন্যই প্রবীরকে সক্রিয় হতে দেননি। শুক্রবার সেই ভূমিকায় প্রবীরকে ফিরিয়ে এনে বিপক্ষের কোচকে চমকে দেবেন দু’বারের হিরো আইএসএল খেতাবজয়ী কোচ? এরকম আরও চমক থাকবে কি না, সেটাও প্রশ্ন।

চমকের অপেক্ষায় লাল-হলুদ বাহিনী

তবে অনেক বেশি চমক দিতে পারেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচ রবি ফাউলার। তাঁর দল এখন পর্যন্ত সর্বসমক্ষে আসেনি। তাঁর হাতে কী তাস রয়েছে, সেটাই এখনও কেউ বুঝতে পারেনি, লুকনো তাস তো অনেক দূরের বিষয়। আগ্রাসী ফুটবলের ভক্ত ফাউলার হাতে তেমন উপাদানও রয়েছে।

এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছেন ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল ফক্স ও অস্ট্রেলিয়ার স্কট নেভিল। ৩৪ বছর বয়সি ফক্সই প্রথম ম্যাচে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরতে চলেছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বার্নলে ও সাউদাম্পটনে খেলেছেন তিনি। ভারতে আসার আগে উইগান অ্যথলেটিক্সে খেলতেন কভেন্ট্রি সিটির এই ফুটবলার। ২০০৮-এ তিনি কভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ওয়ালসাল ছেড়ে। তাদের হয়ে ৫৭টি ম্যাচ খেলার পরে স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপে খেলার জন্য সেলটিক তাঁকে সই করায়। ৩১ বছর বয়সি নেভিল গত মরশুমে ব্রিসবেন রোর-এর হয়ে নিয়মিত খেলেছেন। দলকে প্লে অফে উঠতেও সাহায্য করেন। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ১২টি মরশুমে মোট ২২৩ টি ম্যাচ খেলে আসা নেভিল অভিজ্ঞতার বিশাল ঝুলি নিয়ে ভারতে এসেছেন।

লাল-হলুদ শিবিরে রয়েছেন কঙ্গো থেকে আসা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ তারকা জাক মাঘোমা, গত পাঁচটি মরশুম যিনি ইপিএলের  ক্লাব বার্মিংহাম সিটির হয়ে খেলেছেন। টটেনহাম হটস্পারের জুনিয়র অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার ২০১৭-১৮-য় বার্মিংহাম সিটির প্লেয়ার অফ দ্য সিজনের খেতাব জিতে নিয়েছিলেন। ৩৩ বছর বয়সি মাঘোমা এই ক্লাবের হয়ে ৪১৭টি ম্যাচে ৫৭টি গোল করেছেন, ৫৫টি গোল করিয়েছেন। এমন অভিজ্ঞ তারকা ফর্মে থাকলে প্রতিপক্ষ সমস্যায় পড়তেই পারে। কিন্তু নতুন পরিবেশ ও যথেষ্ট প্রস্তুতির সময় না পাওয়ায় তিনি নিজেকে কতটা মেলে ধরতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছেই।

খাতায় কলমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলার তালিকায় কোনও বিদেশি স্ট্রাইকার না থাকলেও মাঘোমা ছাড়াও দুই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার আইরিশ অ্যান্থনি পিলকিংটন ও ওয়েলশের অ্যারন আমাদি হলোওয়ে আক্রমণে সিদ্ধহস্ত। যে কোনও সময়ে বিপক্ষের গোলের সামনে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন তাঁরা। ৩২ বছর বয়সি পিলকিংটন এই ম্যাচে সহ অধিনায়কের ভূমিকা পালন করবেন। ইংল্যান্ডে প্রায় চারশো ম্যাচ খেলেছেন। ১৪ বছরের ফুটবল জীবনে তিনি ৮৩টি গোল করেছেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ তিনি খেলেন প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব নরউইচ সিটির হয়ে। পরের পাঁচ বছর তিনি কার্ডিফের হয়ে খেলেন। সেখান থেকে গত বছর উইগান অ্যাথলেটিক্সে যোগ দেন।

২৭ বছর বয়সি অ্যারন এর আগে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ক্লাব ব্রিসবেন রোর-এ। গত মরশুমে তিনি ২৩টি ম্যাচ খেলেন। তার আগে ফুটবলজীবনের বেশিরভাগটাই তিনি কাটিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, স্ট্রাইকার ছাড়াও কোচেরা তাঁকে সেন্টার ব্যাক হিসেবেও ব্যবহার করেছেন। এ লিগে কোচিং করার সময় অ্যারনকে একেবারে কাছ থেকে দেখেছেন ফাউলার। ফলে তাঁকে তৈরি করে নিতে হয়তো অসুবিধা হবে না ইংরেজ কোচের। জার্মানির ২৫ বছর বয়সি মিডফিল্ডার ম্যাটি স্টাইনমান এ লিগে ওয়েলিংটন ফিনিক্স ও বুন্দেশলিগায় হামবার্গার এসভি দলে খেলেছেন।

চোট সারিয়ে বহুদিন পরে মাঠে নেমে মিজো তারকা ফরোয়ার্ড জেজেও নিজেকে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবেন নিশ্চয়ই। চেন্নাইন এফসি-র হয়ে হিরো আইএসএলে মোট ৬৯টি ম্যাচ খেলে ২৩টি গোল করেছেন তিনি। দু’বার চ্যাম্পিয়ন দলেও ছিলেন। ২০১৯-২০-তে চোটের জন্য অবশ্য পুরো আইএসএল মরশুমেই খেলতে পারেননি। গোটা একটা মরশুম খেলতে না পারায় এ বার সাফল্যের খিদে নিয়ে তিনি ফিরে আসছেন হিরো আইএসএলে।

অন্য দিকে, গত বছর আই লিগজয়ী মোহনবাগান দল থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলে আসা দুই গোলপ্রহরী দেবজিৎ মজুমদার ও শঙ্কর রায়ের মধ্যে প্রথম দলে থাকার একটা প্রতিযোগিতা দেখা যেতে পারে। ২০১৪-য় সই করেছিলেন দেবজিৎ সই করেন মোহনবাগানে ও পরের বছর আই লিগ খেতাব জেতেন। গত মরশুমে সবুজ-মেরুন শিবিরে ফিরে দ্বিতীয়বার আই লিগ জয়ীর পদক জেতেন তিনি। শঙ্কর ২০১৮ থেকে মোহনবাগানে। গত বার আই লিগ জয়ের অভিযানে বেশির ভাগ ম্যাচেই তিনি গোল সামলেছিলেন। ১৪ ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে কোনও গোল খাননি তিনি। তাই শুক্রবার কে দায়িত্ব পাবেন গোল সামলানোর, সেটাই দেখার।

এটিকে মোহনবাগান স্কোয়াড:

গোলকিপার: অরিন্দম ভট্টাচার্য, ধীরজ সিং, অভিলাষ পাল, আর্শ শেখ, আরিয়ান নিরজ লাম্বা

ডিফেন্ডার: তিরি, প্রীতম কোটাল, প্রবীর দাস, সন্দেশ ঝিঙ্গন, শুভাশিস বসু, সুমিত রাঠি

মিডফিল্ডার: প্রণয় হালদার, ব্র্যাডেন ইনম্যান, হাভিয়ে হার্নান্ডেজ, এডু গার্সিয়া, কার্ল ম্যাকহিউ, গ্ল্যান মার্টিন্স, জয়েশ রানে, বরিস সিং, রেজিন মাইকেল, শেখ সাহিল, এন ইংসন সিং

ফরোয়ার্ড: ডেভিড উইলিয়ামস, রয় কৃষ্ণা, মনবীর সিং, মহম্মদ ফারদিন আলি মোল্লা   

এসসি ইস্টবেঙ্গল স্কোয়াড:

গোলকিপার: দেবজিৎ মজুমদার, শঙ্কর রায়, রফিক আলি, মিরশাদ মিচু

ডিফেন্ডার: অভিষেক অম্বেকর, অনিল চহ্বন, ড্যানিয়েল ফক্স, গুরতেজ সিং, লালরাম চুলোভা, মহম্মদ ইরশাদ, নারায়ণ দাস, এন রোহেন সিং, নভিন গুরুং, রাণা ঘরামি, সামাদ মল্লিক, স্কট নেভিল, প্রীতম সিং

মিডফিল্ডার: অ্যারন আমাদি হলোওয়ে, অ্যান্থনি পিলকিংটন, বিকাশ জায়রু, ইউজেনসন লিংডো, হাওবাম সিং, জাক মাঘোমা, লোকেন মেতেই, মিলন সিং, মহম্মদ রফিক, শেহনাজ সিং, সুরচন্দ্র সিং, ম্যাটি স্টাইনমান, ওয়াহেংবাম লুয়াং, ইউমনাম সিং

ফরোয়ার্ড: বলওয়ন্ত সিং, সি কে বিনীত, গিরিক খোসলা, হরমনপ্রীত সিং, জেজে লালপেখলুয়া

সরাসরি দেখুন:

সন্ধ্যা ৭.৩০ থেকে

টিভিতে: স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক

স্ট্রিমিং: ডিজনি প্লাস হটস্টার ও জিও টিভি

Your Comments

Your Comments